সর্বশেষ আপডেট
Print this Page
সকল পোষ্টসমূহ
টেকনোলজি নিউজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টেকনোলজি নিউজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

দেশের ৭ম মোবাইল অপারেটর ভোডাফোন

দেশের ৭ম মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে যাত্রা শুরু করছে ভোডাফোন।
পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে বাজারে পাওয়া যাবে সংযোগ। প্রাথমিকভাবে সত্তুর হাজার সিম নিয়ে যাত্রা শুরু করছে তারা।
তবে অন্যান্য ছয়টি অপারেটরের মতো থাকছেনা কোনো টু-জি সংযোগ। শুরু থেকেই গ্রাহকদের থ্রি-জি সেবা দেবে কোম্পানিটি। থ্রি-জি সেবাকে সহজলভ্য করতে সাশ্রয়ী থ্রি-জি সেটও বাজারে আনছে তারা।
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও বাংলাদেশে মোবাইল সেবা দিতে আগ্রহী ছিলো ভোডাফোনের অধিকারী আশানিয়া কোম্পানি। একটেল (বর্তমান রবি) কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে প্রস্তাবও দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু তখন একটেলের অনাগ্রহে সম্ভব হয়নি তা। সম্প্রতি ‘টেলিগ্রাফ’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভোডাফোনের সিইও জানান, তারা বাংলাদেশের ব্যাপারে আশাবাদী। দেশে বর্তমানে টেলিটক, গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল ও সিটিসেল এই ছয়টি মোবাইল অপারেটর থাকলেও থ্রি-জি সেবা দিচ্ছে একমাত্র টেলিটক। ফলে, উন্নত সেবা পাবার আশায় সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতেও ভোডাফোনের ব্যাপারে তরুণদের উৎসাহী দেখা গেছে।
0 comments

গুগল আনছে নতুন ‘নেক্সাস ১০’

বড় মাপের ট্যাবলেট ভক্তদের জন্য সুখবর। গুগল সম্প্রতি ১০ ইঞ্চি মাপের নতুন সংস্করণের একটি নেক্সাস ট্যাবলেট বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’।
২৪ জুলাই গুগলের কর্মকর্তা সুন্দর পিসাই গুগল ‘নেক্সাস ১০’ ট্যাবলেটের খবর নিশ্চিত করেছেন।গুগল জানিয়েছে, নেক্সাস ১০ ট্যাব তৈরি করবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। চলতি বছরের অক্টোবর নাগাদ নেক্সাস ট্যাবটি বাজারে আসতে পারে।২৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি রেজুলেশনের ট্যাবলেট কম্পিউটার ‘নেক্সাস ৭’-এর ঘোষণা দিয়েছিল গুগল। প্রতি ইঞ্চিতে ৩৩৪ পিক্সেল ঘনত্বের এ ট্যাবলেটের ডিসপ্লে অ্যাপলের আইপ্যাডের চেয়েও উন্নত। গুগলের দাবি, ‘নেক্সাস ১০’ হবে উদ্ভাবনী বৈশিষ্ট্যের একটি প্রযুক্তিপণ্য। বাজারে আইপ্যাডকে টেক্কা দিতেই আসবে নতুন সংস্করণের নেক্সাস ১০।
সুত্রঃ প্রথমআলো
0 comments

হাতের লেখা খারাপে দায়ী ইন্টারনেট!

তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য দুঃসংবাদ! বর্তমানে শিক্ষকেরা মোটেও আধুনিক প্রযুক্তির ওপর ভরসা করেন না। তাঁরা মনে করেন, বর্তমান যুগের ডিজিটাল প্রযুক্তি, ইন্টারনেট, টেক্সট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় দক্ষতা, সৃজনশীলতা কমিয়ে দিচ্ছে। ভাষার ব্যবহার, তথ্য উদ্ধৃতির ব্যবহার, বড় অনুচ্ছেদ পড়া ও জটিল যুক্তি দিয়ে লেখার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সমস্যায় ফেলছে ইন্টারনেট। সম্প্রতি শিক্ষকদের নিয়ে করা পিউ রিসার্চের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। 
তবে, অনেক শিক্ষকই আবার ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারকে দুঃসংবাদ বলে মানতে নারাজ। টুইট, টেক্সটিংয়ের বিষয়গুলো বর্তমানে কোনো কাজে না এলেও ভবিষ্যতে এ ডিজিটাল বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও ব্যক্তিগত বক্তব্যের ক্ষেত্রে কাজে লাগবে বলে মনে করছেন তাঁরা।
পিউ রিসার্চের গবেষণায় উঠে এসেছে, ৮৮ শতাংশ শিক্ষক বর্তমানে তাঁর ক্লাসে পড়ানোর সময় উদ্ধৃতি যুক্ত করা, বিভিন্ন উত্স থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা একত্রে লেখার কৌশল শেখান। ৭৫ শতাংশ শিক্ষকই মনে করেন, শিশুদের কপিরাইট বিষয়টি এবং অন্যের লেখা চুরি না করার বিষয়টি শেখানো উচিত। বর্তমানে সূত্র উল্লেখ না করেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে অন্যের লেখা হুবহু বসিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে। এ ছাড়া তাঁরা মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ও প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারে শিশুরা সবচেয়ে খারাপ করছে বানানে ও ব্যাকরণে।
জরিপে ৯০ শতাংশ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের হাতে লেখার ওপর গুরুত্ব দিতে বলেছেন। শিক্ষকদের পরামর্শ হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের সক্রিয়ভাবে চিন্তা করতে হবে, সৃজনশীলতা বাড়াতে হবে, নিজের হাতে লিখতে হবে এবং অন্যের লেখা চুরি করার প্রবণতা বাদ দিতে হবে।

সুত্রঃ Prothom Alo

0 comments

স্মার্টফোনেই হূদয়ের খোঁজখবর!

অপেক্ষার পালা আর নয়, এবার হূদরোগ ঝুঁকি আর তার নজরদারিতে নতুন প্রযুক্তির পর্যবেক্ষক তৈরি হচ্ছে। সার্বক্ষণিকভাবে যে আপনার হূিপণ্ডের ভালোমন্দের প্রতি নজর রাখবে, থাকবেও একবারে বুকের ভেতরে, ঘনিষ্ঠ সঙ্গী হয়ে; আর আপনার স্মার্টফোনে জানাবে হূিপণ্ডের ভালোমন্দের খবরাখবর।
গবেষকেরা বলছেন এর ফলে হাসপাতাল কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে হূদরোগীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকার ক্লান্তি ও বিরক্তির পালার ইতি ঘটবে।
যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা জানিয়েছেন, আগামী এক দশকের মধ্যেই হূিপণ্ডের রক্তনালির মধ্যে বসবে অতিক্ষুদ্র মাইক্রোচিপ। সেখান থেকে তথ্য পাঠাবে স্মার্টফোনে। নজরদারিতে থাকবে হূিপণ্ডের খুঁটিনাটি। গবেষকেরা স্মার্টফোনকে মানুষের প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহারের জন্য স্মার্টফোনের সঙ্গে সম্পর্কিত নানা প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছেন। 
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা নতুন স্মার্টফোন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ঘোষণা দিয়েছেন যা মানুষের হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা দিলে সতর্কবার্তা পাঠানোসহ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নানা কাজে সাহায্য করতে সক্ষম হবে। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনভিত্তিক এম১০ নামের একটি প্রতিষ্ঠান স্মার্টফোনে তথ্য পাঠাতে সক্ষম এমন ট্যাটু বা উলকি উদ্ভাবন করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির গবেষকেরা জানিয়েছেন, পাতলা সিলিকনের তৈরি হূত্স্পন্দন ও রক্তচাপ পরিমাপক এ উলকি শরীরে লাগিয়ে রাখলে তা স্মার্টফোনে বিশেষ সংকেত পাঠাতে পারে। এ উলকি থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে শরীরের বিভিন্ন রোগ বা শারীরিক সমস্যার সমাধান করতে পারবেন চিকিত্সকেরা।
সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা এ বিশেষ উলকি ও স্মার্টফোন প্রযুক্তি শিগগিরই বাজারে আনার পরিকল্পনাও করছেন।
গবেষকেরা আশা করছেন, ক্ষুদ্রাকার এ উলকি বর্তমানে ত্বকে ব্যবহূত হলেও আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই তা হূিপণ্ডে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। হূিপণ্ডের রক্তনালিতে বিশেষ মাইক্রোচিপ বসিয়ে তা থেকে প্রাপ্ত তথ্য স্মার্টফোনে বিশ্লেষণ করে হূিপণ্ডের ওপর নজরদারি করা যাবে বলে আশা করছেন গবেষকেরা। 

কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ফুজিত্সু
জাপানের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফুজিত্সুর গবেষকেরা একটি স্মার্টফোন তৈরিতে কাজ করছেন যা স্মার্টফোনের ক্যামেরায় মুখের ছবি তুলেই ব্যক্তির নাড়ির স্পন্দন জানিয়ে দিতে পারবে। স্মার্টফোনের ক্যামেরা কোনো ব্যক্তির মুখের ওপর পাঁচ সেকেন্ড ধরে রাখলে সঠিকভাবে তাঁর নাড়ির স্পন্দন মাপতে পারবে এ স্মার্টফোন। আগামী বছরের মধ্যেই স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কাজে লাগে এবং নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যযুক্ত এমন ধরনের নতুন স্মার্টফোন বাজারে আনবে প্রতিষ্ঠানটি। গবেষকেরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি প্রযুক্তিটির মাধ্যমে মুখের ওপর জমা রক্ত স্মার্টফোনের ক্যামেরায় ধরা পড়ে এরপর সে ছবিটি স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে নাড়ির গতি মাপা যায়।
বর্তমানে বাজারে থাকা স্মার্টফোনের অ্যাপ্লিকেশনগুলোতে নানা অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যে নানা শারীরিক সমস্যার হাল জানা সম্ভব হয়। অ্যাপলের তৈরি আইফোনের জন্য ‘কার্ডিও’ নামের এ ধরনের একটি অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে। তবে গবেষকেরা আরও গভীরভাবে জানতে এ নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ক্যানসারও শনাক্ত করবে স্মার্টফোন!
দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষকদের ধারণা সত্য হলে খুব শিগগিরই আপনার স্মার্টফোন মুহূর্তেই জানিয়ে দেবে, কী রোগে আপনি আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকি ক্যানসারের মতো রোগও নির্ভুলভাবে শনাক্ত করতে পারবে এই স্মার্টফোন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, কোরিয়া অ্যাডভান্সড ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (কেএআইএসটি) একদল গবেষক দেখেছে, জৈব আণবিক বস্তু শনাক্ত করার কাজে টাচ স্ক্রিন প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে। টাচ স্ক্রিনের মাধ্যমে ব্যক্তি ভেদে সুনির্দিষ্ট প্রোটিন ও ডিএনএ শনাক্ত করা সম্ভব। স্মার্টফোনের টাচ স্ক্রিনে কোনো ব্যক্তির ছোঁয়া লাগলে তার শরীরের চার্জের মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করা যায়। কারণ একেক মানুষের প্রোটিন ও ডিএনএ একেক রকমের হয়ে থাকে।
লিভারের ক্যানসার নির্ণয়ের জন্য এই প্রোটিনকে শনাক্ত করা যায়। অথচ প্রচলিত প্রযুক্তিতে এই ফলাফল নির্ণয় করতে অনেক বড় বড় যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়। অবশ্য কবে নাগাদ এই স্মার্ট ফোন তৈরি করা সম্ভব হবে, সে ব্যাপারে সঠিক কোনো ধারণা দেননি গবেষকেরা।

দাঁতে বসে শরীরের খবর

কাগজের চেয়েও পাতলা সেন্সর উদ্ভাবন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা। এই সেন্সর ট্যাটু বা উলকির মতো দাঁতে লাগানো হবে। সেন্সরটি শ্বাস-প্রশ্বাস পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয়ে চিকিত্সককে সাহায্য করতে সক্ষম। গবেষকদের বরাতে এক খবরে ডেইলি মেইল জানিয়েছে, দাঁতে বসানোর উপযোগী এই তারবিহীন সেন্সর কোনো রোগের প্রাথমিক লক্ষণের তথ্য চিকিত্সকের কাছে পাঠাতে পারবে। এ তথ্য স্মার্টফোনে বিশ্লেষণ করে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত ও রোগ নির্ণয় করতে পারবেন চিকিত্সকেরা। শিগগিরই এ উলকি বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করেছেন তাঁরা।

যন্ত্র গলবে শরীরের ভেতরে!
কথায় বলে, ‘শরীরের নাম মহাশয়, যা সওয়াবে তা-ই সয়’। তাই বলে শরীরের ভেতর ইলেকট্রনিক যন্ত্র? হ্যাঁ, ২০১২ সালেই যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা এ ধরনের যন্ত্র তৈরিতে সফল হয়েছেন। গবেষকেরা জানান, চিকিত্সার প্রয়োজনে বিশেষ একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র শরীরের নির্দিষ্ট অংশে ওষুধ প্রয়োগের পর আপনা আপনি গলে যাবে। গবেষকেদের দাবি, চিকিত্সা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এ যন্ত্র। সিলিকন ও ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইডের ওপর রেশমের আবরণ দিয়ে তৈরি এ যন্ত্রটি। গবেষকেরা এ প্রযুক্তিটি চিকিত্সা ক্ষেত্র ছাড়াও কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে ব্যবহার করার কথাও ভাবছেন।
0 comments

মোবাইলে ব্রেকিং নিউজ আনছে ফেসবুক



অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারীই কোন ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই তা এই সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে শেয়ার করেন। এ সুযোগটি কাজে লাগিয়ে মুঠোফোনে তাৎক্ষণিকভাবে খবর পাঠ করার সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফেসবুক-ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ফেসবুকের খবর পাঠের এ সেবাটিকে অভ্যন্তরীণভাবে ‘রিডার’ বলা হচ্ছে। এ সেবা মূলত ফেসবুক ব্যবহারকারী ও সংবাদ প্রকাশকদের খবর বিশেষ ফরম্যাটে মুঠোফোনে প্রদর্শিত হবে। 
খবর পাঠের জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন ফ্লিপবোর্ডের মতোই কাজ করবে ফেসবুকের রিডার সেবাটি। এক বছর ধরে গোপনে এ প্রকল্পটি নিয়ে কাজ করছে ফেসবুক। তবে কবে নাগাদ মোবাইলে খবর পড়ার এ সুবিধা চালু হবে সে সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
0 comments
 
ভোরের পাখি ব্লগ
© ভোরের পাখি কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ধুমেরকুঠি, হারাগাছ, কাউনিয়া, রংপুর
ইমেইলঃ-bhorerpakhi.2006@gmail.com